নারী ও প্রেম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নারী ও প্রেম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১৫

হৃদয় খেলা - হাসান ইমতি













বন্ধু, যেওনা এখনই, থাকো নাহয় আরও কিছুক্ষণ,
থাকো উষ্ণ হৃদয়ের কাছাকাছি, থাকো দৃষ্টি সীমায়,  
আরও কিছুটা সময় নাহয় কাটুক মৌন ভাললাগায়,
কিছু রৌদ্র ছায়ার গোপন ভালোবাসাবাসির লুকোচুরি
খেলা দেখি দুজন নাহয় বসে পাশাপাশি কিছুটা সময়,
বুকের ভেতর তোমায় নিয়ে কিছু স্মৃতি নাহয় জমুক,
আজ দুপুরে বুকের ঘরে তোমায় ঘিরে ভালোলাগার
একটি কোকিল না হয় গলা ছেড়ে ইচ্ছেমত ডাকুক,
প্রানের ভেতর আজ দুপুরের সুর তুলে রুমঝুম নুপুরে
তোমায় ঘিরে কিছু ঘোরলাগা রঙের ছোঁয়া নাহয় লাগুক,
তোমার সাথে এক জীবনের কিছু মধু প্রহর নাহয় কাটুক,
মাঝদুপুরে মনের ঘরে তোমায় ভাবনায় একটি একলা
জোনাকপোকার রঙিন আলো নাহয় তুমুল সুখে জ্বলুক    

বন্ধু, এই চোখে নাহয় আজ একটু ভুল করা চোখ রাখ,
এই চোখে মেঘ বিদ্যুতের ঝলক আছে, ভালোলাগার
প্রশ্রয় আছে, জুড়ে থাকার, সাথে বাচার আস্থা আছে   
মন হারানোএই প্রহরে কিছু মধুময় ভুল না হয় হোক,  
এই কঠিন হাতে নাহয় একটু রাখ তোমার নাজুক হাত,
ছুঁয়ে দেখো এই হাতে প্রিয় মানুষের ছোঁয়া আছে, আছে
নির্ভরতার আশ্রয়, আছে পাশে থাকার, ছুঁয়ে বাচার ঈপ্সা

বন্ধু, যদি ভালো না বাসো, যদি ফিরে যাবে বলে এসে
থাকো তবে ভুলেও কখনো হৃদয় দিয়ে হৃদয় ছুঁয়োনা,
চোখে থেকে চোখ ফিরিয়ে নেয়া যায়, ধরে রাখা হাত
ছেড়ে দেয়া যায় কিন্তু হৃদয় খেলায় হৃদয় দিয়ে হৃদয়
স্পর্শ করলে না কখনো চোখ ফিরিয়ে নেয়া যায়, না হাত
ছেড়ে দেয়া যায় , না হৃদয় ফেরানো যায় কোনদিন

রবিবার, ১১ আগস্ট, ২০১৩

ফেসবুকঃ সূত্রপাত - হাসান ইমতি


















পটভূমিঃ

আমেকিকান তরুণ ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট মার্ক এলিয়ট জুকার বার্গ
ও তার কয়েকজন বন্ধু মিলে প্রতিষ্ঠা করেন ফেসবুক নেটওয়ার্ক ।
তখন বলা হয়েছিল ইউনিভার্সিটির বন্ধুদের মাঝে যোগাযোগ ও
তথ্য আদান প্রদানের লক্ষ্যে তৈরি হয়েছে এই নেটওয়ার্ক। কিন্তু
এর পেছনে তাদের আসল উদ্দেশ্য ছিল ফেসবুক নেটওয়ার্কভুক্ত
ইউনিভার্সিটির মেয়েদেরকে ছবি ও ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা।
এর শাস্তি হিসেবে তাকে একসময় হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে
বহিষ্কারও করা হয় । তারপরেও থেমে থাকেনি তার ফেসবুক ।

স্থানঃ

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি, মার্কিন যুক্তরাস্ট ।

কালঃ

২০০৩ -২০০৫ ইং

পাত্র পাত্রীঃ

মার্ক জুকারবারগ ও তার বন্ধুরা, ইউনিভার্সিটির সুন্দরী মেয়েরা ।

ফেসবুক কথনঃ সূত্রপাত

তরুণ যুবক এক জুকারবার্গ মার্ক,
বর্ণান্ধ চোখ, তবু মনে স্বপ্ন অনেক ।
চারপাশে এতো শতো মেয়ে সুন্দরী,
ইসস, কাকে রেখে কাকে যে ধরি ।

সুন্দরী গার্লফ্রেন্ড তারও যে ছিলো,
তবু মেয়ে দেখতে লাগে যে ভালো ।
প্রেমেতে আছে হৃদয় ভরানো সুধা,
ওতে যে মেটে না দু চোখের ক্ষুধা ।

কি করা যায়, কি দিয়ে কি যে হয়,
ভেবে ভেবে বের করলো সে উপায় ।
সংগ্রহ করা যতসব সুন্দরীদের ছবি,
তাই না হয় হোক আমার প্রিয় হবি ।

যেই ভাবা সেই কাজ, রোমিও মার্ক
সাথে নিয়ে সমমনা বন্ধু এক ঝাঁক ।
মাঠে নামে নিয়ে মিলিত উদ্যোগ
গড়ে তোলে নেটওয়ার্ক, ফেসবুক ।

সুন্দরী ছবি দাও, হবে ফটো হ্যাক
বললে তো আর চলবেনা ফেসবুক,
বলা হলো শুধু তথ্য ও যোগাযোগ
নামটি তার নেটওয়ার্ক ফেসবুক ।

এই দলে একা যে নয় জুকারবার্গ
আরোও ছিল এমন বহু ব্যক্তিবর্গ, 
বোঝা গেলো তা বয়ে যেতে সময়
ফেসবুক তাই আজ সারা বিশ্বময়।



হাসান ইমতি 

স্বরচিত
হাসান ইমতির কবিতারা 

প্রেমের কবিতা - হাসান ইমতি
















আমার তোমাকে নিবেদিত প্রেমের কবিতা মাত্র নয়,
তুমিমুগ্ধ আমি একমাত্রিক কবি, আমার বর্ণান্ধ চোখে তুমি
ছাড়া আর কোন রঙ নেই, তুমি ছাড়া আমার কাছে আর
কোন দ্রষ্টব্য নেই, তুমি ভিন্ন আমার আর কোন গন্তব্য নেই,
ফুলের হৃদয় মাতানো সৌরভে আমি উদ্বেলিত  হই না,
পাখির কলতান আমায় প্রশান্তি দেয় না, নদীর নির্ঝর,
 বাতাসের সমীরণ, সাগরের প্রস্রবণ, চাঁদের বিকিরণ,
সূর্যের প্রজ্বলন এইসব আমার গভীরতায় কোন বোধ সৃষ্টি
করে না, অন্য অনেকের মত এইসব আমার চিত্তকে উত্তেজিত
করে না, আমি পরে থাকি তোমাকে নিয়েই, তুমি ছাড়া
আর কোন আরাধ্য নেই আমার, আমার সব কবিতা তোমা
হতে শুরু শেষ হয়, তোমাকে নিয়ে, তোমার সুখ, দুঃখ,
হাসি, কান্না, খুনসুটি, প্রেম, বিরহ, পাপ, পুণ্য,জন্ম, জরা,
কষ্ট, ক্লেশ  সবকিছু নিয়ে, সবটুকু তোমাকে নিয়ে আমি
লিখে চলি প্রতিনিয়ত, সবটুকু তোমাকেই আমি ধারণ
করে রাখি, জড়িয়ে থাকি, ছুঁয়ে রাখি আমার কবিতার
শরীরে, শুনে তুমি ঠোঁট বাঁকিয়ে বললে,“কই কখনো 
দেখিনি তো”? প্রশ্নের উত্তর হয়, তুমিও উত্তরই আশা
করেছিলে, কিন্তু আমি তোমাকে প্রশ্নের উত্তরে প্রশ্নই
করলাম, তুমি কি আমার আমাকে ছুতে পারোনি ?
শুধু এই  রক্তমাংসের আমাকে নয়, শরীর নয়,
শরীর ছাড়িয়ে আরও গভীরে, আমার নিজস্বতার
একান্ত সুর শুনতে পাওনি ? শরীরে স্ফীত হয়ে ফুলে
থাকা এই নীল শিরা উপশিরাগুলো দেখতে পাওনি ?

আমার শিরায় শিরায়, লোহিত কণিকার লাল জলোচ্ছাসে,
অণুচক্রিকায়, হৃদয়তন্ত্র জালে যে আকুলতা,যে কবিতা
ধ্বনিত হয় তার  প্রতিপাদ্য তো তুমি, তুমিই তো
তুমি কি জান না সে কথা ? তুমি কি আমার অনুভূতির
পদধ্বনি শুনতে পাও না আত্মার গভীরে? তোমার একান্ত
নিজস্বতায় কি আমার মনোবেদন ধরা দেয় না ? 
আমার নিউরনের ভেতর, স্নায়ু তন্ত্রে, আজ্ঞাবাহী
স্বয়ংক্রিয় মোটর স্নায়ুতে যে কবিতা নিয়ত প্রবাহমান
সে তো তোমাকে নিয়েই, তুমি কখনো এই চোখে চোখ
রেখে দেখেছো কি আমাকে ? আমার চোখের তারার গভীরে
সে কবিতা, সে তো তোমারই দান, তুমিই তো আমার সব
কবিতার প্রেরণা, আমার সব কবিতা তোমা হতে শুরু
শেষ হয়, আমি কোন প্রথাগত কবি নই, তাই আমি
পারিনা তুমি ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে কোন কবিতা লিখতে


 

শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৩

প্রেম পূজা - হাসান ইমতি

















চিরকালই তুমি ছিলে আমার পূজা মণ্ডপের আরাধনার দেবী,
চিরকালই আমি তোমার পূজা করে গেছি নিঃশর্ত আনুগত্যে,  
চিরকালই নিরাপদ দূরত্বে দাড়িয়ে আমি তোমার একনিষ্ঠ
আরাধনা করে গেছি কোন প্রতিদানের প্রত্যাশা না রেখেই,  
চিরকালই আমি তোমার চরণ তলে সপেছি ভক্তির নৈবেদ্য
আমার চোখে আমাদের সম্পর্ক ছিল সেবক ও আরাধ্যের,
তোমার চরণে নিজেকে সপেছি তোমার মনে আমার আসন
আর তোমার জীবনে আমার ভূমিকার কথা না ভেবেই

কিন্তু আজ হঠাৎ সবকিছু বড় এলোমেলো হয়ে গেলো,  
আজ হঠাৎ করে সব হিসেব নিকেশে ভুল হয়ে গেলো,  
আজ আরাধনার সাজানো পূজা মণ্ডপ আমার হঠাৎই
তোমার দেয়া ভালোবাসা রঙে মাখামাখি হয়ে গেলো
তোমার কাজল কালো চোখের অতল ডাকে সহসাই
তোমাতে নিঃশর্ত হারালো আমার অনন্ত প্রেমিক হৃদয়

আজ সহসাই এতোকাল ধরে তোমার জন্য সাজিয়ে রাখা
আমার পূজার নৈবেদ্য ভালোবাসা রঙে রাঙিয়ে দিলে তুমি
পূজা মণ্ডপের দেবী তুমি হয়ে গেলে  ভালোবাসার মানবী,
হয়ে গেলে রক্ত মাংসের কামনা বাসনার চিরন্তন মানবী


হাসান ইমতি

ভুল জীবন - হাসান ইমতি














কাল মাঝরাতে ...
বাতাসের হাতে চিঠি এসে গেছে সকালের খামে,
আকাশের নীল চিঠি পৌঁছে গেছে পৃথিবীর নামে,  
সে চিঠি পৌঁছে গেছে পৃথিবীর গ্রাম থেকে গ্রামে,
আকাশ ডেকেছে নদীকে, দিতে হবে বৃষ্টির শোধ
দিতে হবে অসীমের দাম, দিতে হবে জলজ কাম,
দিতে হবে বৃষ্টির দাম, দিতে হবে বাষ্পীয় ঘাম,
নিতে হবে জোয়ার ভাটার ভালবাসার পয়গাম,  
নদীর বুকে তাই সারাবেলা উথাল পাথাল ঢেউ,
ঢেউয়ে ঢেউয়ে শুধু গোপন ফিসফাস কানাকানি,
সাগর প্রেয়সী নদী কি নেবে আকাশের পয়গাম ?
সাগরের টানে চলা নদী কি শেষে হবে দ্বিচারিণী ?

যে নদী একদা ছুঁয়েছে সাগরের গহীন লোনা নীল,
সে কি তবে আজ হবে নষ্ট আঁধারের অভিসারিণী,
সুনীল বিপুল আকাশের গোপন রাত প্রেমিকা ?
সে বহতা নদী আজ কি করে কেন এড়াবে নীল
সাগরের চিরন্তন লবণাক্ত কাম?  কি করে দেবে
সাগরের বিশ্বাসের দাম, নদীও কি তবে বেফাঁস
নারীর মত এক হৃদয়ে বহুগামিতা লালন করে?
নদীও কি নারীর মত রক্তের গভীরে বয়ে বেড়ায়
নিষ্ঠুরতার নগ্ন ভ্রূণ, আত্মায় অবিশ্বাসের কাল ঘুণ ?
আমি নারীকে চিনে তাই চিনেছি নদীকেও, আমি
চিনেছি  বৃষ্টি, আকাশ, মেঘমালাকে ও নির্নিমেষ
অনন্ত ছায়াবীথিকে, আমি চিনেছি  পাহাড়, সাগর,
পৃথিবী, সকাল ও রাত্রিকে, আমি চিনেছি, চিনেছি
আলো এবং আঁধারকেও, আমি চিনেছি অনতিক্রম্য
মহাকালকেও, কিন্তু আজও যে চেনা হয়নি আমার
নিজস্ব আমিকে, সবকিছু জেনেও কিছুই যে জানা
হয়নি আজও আমার, ভুল করে ভুল রমণীর ভুল
প্রেমে পথ ভুলে আমি কাটিয়ে চলেছি ভুল জীবন

শুক্রবার, ২ আগস্ট, ২০১৩

সময় আটকে গিয়েছিলো - হাসান ইমতি

















এক সন্ধ্যায় প্রতিদিনের মত সূর্যটা আর পাটে গেল না
দিনের কাজ শেষে অফিস ফিরতি গৃহকাতর ক্লান্ত মানুষের
ভীর অবাক বিস্ময়ে বড় দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখতে
পেল ঘড়ির কাটা স্থির হয়ে আটকে আছে দ্বিপ্রহরের ঘরে,
থেমে আছে, নড়ছে না একচুলও, দেখল সময় লটকে আছে
অফিস পাড়ার টেলিফোন টাওয়ারের উচু নেটওয়ার্কে

স্কুল ফিরতি ছেলে মেয়েদের সেদিন আর ঘরে ফেরা হলো  না,
স্কুলের ঘণ্টা বাজলো না, কোন  ক্লাস হলো না, পড়া দিতে হল না,
টিফিন হলো না, অদ্ভুত চোখে  সবাই দেখল সময় লটকে আছে
পুকুর পারের বড় জামরুল গাছটার সবচেয়ে উচু মগডালে

দোকানী দোকান ফেলে দুপুরের খাবার খেতে গেল না,
ঘরের বউয়েরা উনুনে রান্নার চাল তুলে দিতে ভুলে গেল,
পত্রিকাওয়ালারা সেদিন আর নতুন কোন খবর ছাপলো না,
তাই কেউ জানতেও পারলো না আজ দ্বিপ্রহরে সময় লটকে
গেছে ঊর্মিলাদের আকাশ ছোঁয়া সাদা বাড়ীটার ছাদের কার্নিশে

সময় আটকে গেছে বলে সেদিন বুড়ো ইসকান্দর মালীও
রোজকার মতো গোলাপ  বাগানে নিয়মের জল দিতে ভুলে গেল,
সময় আটকে গেছে বলে পাখিরা আর ঘরে ফিরে এলো না,
সময় আটকে গেছে বলে সবুজ কৃষ্ণচুড়ার লাজুক কলিগুলো
আর মুখ তুলে লাল কৃষ্ণচুড়া হয়ে ফুটে উঠে হৃদয় রাঙাল না,
সময় আটকে গেছে বলে প্রেমিক স্বামী তার সদ্য বিবাহিত
তরুণী বঁধুর জন্য আলতার লাল আনতে ভুলে গেলো সেদিন

সময় আটকে গেছে বলে শাহবাগ থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ঢাকার
সবচেয়ে ব্যস্ত তুমুল রাজপথ ভরদুপুরে থাকলো শুনশান নিস্তব্ধ,
সময় আটকে গেছে বলে গাড়িগুলো অবস্থান ধর্মঘটের ডাক দেয়া
বেফাস নেতাদের মত মাঝ রাস্তায় নিশ্চুপ দাড়িয়ে রইলো,
স্থির পৃথিবীর কোন যাত্রী আর তার গন্তব্যে যেতে পারলো না  
সময় আটকে গেছে বলে গলির মোড়ে শুয়ে থাকা নব্বই বছরের
বুড়ো আইজুদ্দিন আর তার পুরনো সেই শ্বাসকষ্টে ভুগলো না,
সময় আটকে গেছে বলে পাড়ার মোড়ের প্রতিষ্ঠিত ভিখারিটাও
ভিক্ষার বাটি হাতে চুপচাপ বসে রইল, ভিক্ষা চাইলো না,
সদ্য ঘুমভাঙা শিশুটি অবাক বিস্ময়ে দেখল সময় লটকে
আছে রাস্তার মোড়ের সবচেয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির মাথায়

সময় আটকে গেছে বলে যে যার স্থানে স্থির হয়ে রইলো,
কেউ একচুল সামনে বা পিছনে এগোল বা পিছলো না,  
সময় আটকে গেছে বলে আমার কলম কেপে গেলো ,
আজ আর হৃদিয়ের জমিতে কোন কবিতার চাষ হল না,
সময় আটকে গেছে বলে আমার নরম প্রেয়সীর রোদেলা
চোখ থেকে কিছুতেই আমার চোখ থেকে আর সরলো না,
আমাদের কারো চোখেই আজ কিছুতেই পলক পড়লো না,
সময় লটকে রইলো আমাদের মাঝে এক অলঙ্ঘ্য বন্ধন হয়ে
বাকি পৃথিবী না জানলেও মুহূর্তকে অমর করে দিয়ে সত্যিই
সময় লটকে গিয়েছিল প্রেয়সীর চোখের লাজুক হাসিতে

 বি দ্রঃ সময় কখনো আটকায় না, তবে কোন কোন ঘটনায় মানুষ আনন্দ
বা শোকে স্তব্ধ হয়ে যায় তখন কিছু সময়ের জন্য হলেও বাকি পৃথিবীটা
চললেও ঐ মানুষটার মন জগতে সময় থমকে যায়


Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...